ভোরের আলো

রোজ প্রভাতে নীলাভ আকাশে যখন মিঠে রোদে সোনালি আলোর বিচ্ছুরন হয় এক  অদভুত মনোটানি দৃশ্য প্রকাশ পায়, সেই দৃশ্যে মানুষ, পাখি, এমনকি গাছ পালাও নিজেদের মেলে ধরে, প্রকাশ পায়, সকলের অন্তরের ভাললাগা, ভালবাসা ও হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত বাসনা, হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন।

সময় ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় মিঠে রোদ হয়ে ওঠে আগুণের হল্কা, শেষে অন্ধকার পৃথিবী কৃত্তিম আলোয় নিজেকে আলোক উদ্ভাসিত করে তোলে আআর ভোরের সকল স্বপ্ন হারিয়ে যায় সময়ের অন্তরালে।

কাল নিজের ভঙ্গিমায় বয়ে চলে যায় বছরের পর বছর, আর স্বপ্ন রয়ে যায় স্বপ্নই। আম্রা সেই স্বপ্নকে সযত্নে লালন করে তাকে গড়ে তোলার প্রয়াস করি, জাতে কোন ছোট স্বপ্ন হারিয়ে না যায় কালের অন্তরালে।

সমাজের পিছিয়ে পরা সদ্য প্রস্ফতিত রঙ্গিন কুঁড়ি গুলোকে চেষ্টা করি ফুল হয়ে ওঠার – এই আমাদের স্বপ্ন, ও করম…এই নিয়েই গঠন ভোরের আলোর

এছারা, রক্তদান শিবির, চক্ষুপরীক্ষা, বস্ত্রদান সকল কিছুই করি যা আমাদের সকল প্রতিবন্ধকতার মধ্যে করা সম্ভব।

এই অনুষ্ঠানটি করার আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য এই সকল প্রোঊঢ় ো শিশুদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানো যা এরা পায় না বা বঞ্ছিত থাকে। তাই সমাজের সবচেয়ে গুরুত্তহিন মানুষগুলোই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এক সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার জন্ন।তাই আম্রা কোন তথাকথিত সেলিব্রিটি না এনে আমাদের বিচারক মণ্ডলী গঠন করেছি এদের নিয়েই।

আমরা তাদেরকেই পুরস্কিত করব যারা এদের চোখে ো বিচারে শ্রেষ্ঠ। যে সমাজ এদের ফেলে দিয়েছে, তারাই এদের গ্রহন করবে সানন্দে।

এর ছেয়ে বড় আনন্দ পাওয়া আর এদের জীবন কি-ই বা আছে…? হোক না তা ক্ষণিক সময়ের জন্য…।

আপনাদের সহযোগিতায় আমরা অত্যন্ত আপ্লুত  ও কৃতজ্ঞ। ভোরের আলোর পক্ষ থেকে সকল ব্যাক্তি বর্গ ও সকল প্রথিস্থান কে জানাই আমাদের সাথে ও পাশে থাকার জন্য শারদীয়ার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।